নবাব সলিমুল্লাহর অবদান উপেক্ষিত: ঢাবি প্রতিষ্ঠার নায়কের জন্ম-মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি ‘আপ বাংলাদেশ’-এর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
 ছবি:
ছবি:

উপমহাদেশের মুসলমানদের শিক্ষা, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহর ১১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, জিয়ারত ও ফাতেহা পাঠ করেছেন ‘ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ’ (আপ বাংলাদেশ)-এর নেতৃবৃন্দ।

গত শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ১১টার দিকে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। আপ বাংলাদেশের মুখপাত্র শাহরীন ইরা এক বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি বিজ্ঞপ্তিতে নেতৃবৃন্দ আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমান সময়ে নবাব সলিমুল্লাহর অবদান অনেক ক্ষেত্রে উপেক্ষিত হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় তার যে অসামান্য ও ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে, তা বিবেচনায় এনে তার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপন করার জোর দাবি জানিয়েছেন আপ বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ।

উপস্থিত নেতৃবৃন্দ কর্মসূচিতে সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন:

  • প্রধান সংগঠক: নাঈম আহমাদ

  • যুগ্ম প্রধান সংগঠক: আবরার হামীমআহছান উল্লাহ

  • কেন্দ্রীয় সদস্য: আব্দুল্লাহ নাসেরসাইফুল্লাহ আল গালিব

  • ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক: মো. জসিম উদ্দিন

  • গণসংযোগ ও প্রচার বিভাগের সদস্য: ইমরান হোসাইন রাহাত

মৃত্যু রহস্য ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি নবাবের মৃত্যুর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটও আলোচনায় উঠে আসে। ইতিহাসবিদদের মতে, নবাব সলিমুল্লাহর মৃত্যু আজও রহস্যে ঘেরা। কথিত আছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত মতবিরোধের কারণে তৎকালীন বড়লাটের ইঙ্গিতে তার দেহরক্ষী নবাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। সেই গুলিতে গুরুতর আহত অবস্থায় ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এরপর ১৭ জানুয়ারি বেগমবাজারে কড়া সামরিক প্রহরায় তাকে দাফন করা হয়।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত