নতুন ভিসা ইস্যু বন্ধ: ৫,৮০০টির মধ্যে ১৮০০ এজেন্সির ওপর খড়গ, তবে ভোগান্তিতে পড়বেন না বুকিং করা যাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
 ছবি:
ছবি:

উমরাহ যাত্রীদের সেবার মান নিশ্চিত করতে বড় ধরনের শুদ্ধি অভিযান চালিয়েছে সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পারফরম্যান্স ও সেবার মানে ঘাটতি থাকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ৫,৮০০টি বিদেশি ট্রাভেল এজেন্সির মধ্যে ১,৮০০টির সঙ্গে করা চুক্তি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

গতকাল রোববার (১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সৌদি মন্ত্রণালয় এই ঘোষণা দেয়। আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) খালিজ টাইমস-এর বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে স্থগিত হওয়া এই তালিকার মধ্যে বাংলাদেশের কোনো এজেন্সি আছে কিনা, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কেন এই স্থগিতাদেশ? মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত মূল্যায়নে এসব এজেন্সির কার্যক্রমে ত্রুটি ও সেবার মানের ঘাটতি ধরা পড়ে। এটি একটি নিয়ন্ত্রক পদক্ষেপ, যার লক্ষ্য হলো এজেন্সিগুলোকে চিহ্নিত সমস্যাগুলো সমাধানে বাধ্য করা এবং অনুমোদিত মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা।

১০ দিনের আলটিমেটাম (Grace Period) সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোকে তাদের ত্রুটি সংশোধনের জন্য ১০ দিনের সময়সীমা বা গ্রেস পিরিয়ড দেওয়া হয়েছে।

  • যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা শর্ত পূরণ করতে পারে, তবে তাদের সঙ্গে করা চুক্তি পুনরায় কার্যকর হবে।

  • ব্যর্থ হলে নিয়ম অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যাত্রীদের ওপর প্রভাব মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে যে, এই স্থগিতাদেশ শুধুমাত্র নতুন ভিসা ইস্যুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

  • নিরাপদ যাত্রীরা: যেসব উমরাহযাত্রীর ভিসা ইতিমধ্যে বৈধ রয়েছে বা যাদের আগেই বুকিং সম্পন্ন হয়েছে, তারা কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না। তাদের সেবা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই অব্যাহত থাকবে।

মন্ত্রণালয়ের কঠোর বার্তা সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঘাসসান আল-নুয়াইমি বলেন, “নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব এজেন্সি তাদের ত্রুটি সংশোধনে ব্যর্থ হবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি আরও জানান, উমরাহ খাতের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে এবং উমরাহ পালনকারীদের অধিকার সুরক্ষিত রাখতে এই নিয়মিত পর্যবেক্ষণ অব্যাহত থাকবে।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত