আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটকে (Referendum) সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই লক্ষ্যে আজ রবিবার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ৯টায় সশস্ত্র বাহিনীসহ সরকারের ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ ও সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকে সভাপতিত্ব ও উপস্থিতি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। বৈঠকে দেশের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
-
সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (PSO)।
-
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক।
-
কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক।
-
পুলিশের মহাপুলিশ পরিদর্শক (IGP)।
-
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) মহাপরিচালক।
-
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক।
-
জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (NSI) মহাপরিচালক।
-
ডিজিএফআই (DGFI) মহাপরিচালক।
-
জাতীয় টেলিযোগাযোগ মনিটরিং সেন্টারের (NTMC) মহাপরিচালক।
সমন্বয়হীনতা নিয়ে ইসির উদ্বেগ বৈঠকের শুরুতেই নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ মাঠ প্রশাসনের কার্যক্রমে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “সারা দেশে নির্বাচন নিয়ে যে সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে, তাদের কাজে সমন্বয়হীনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।”
সহিংসতা রোধে কঠোর নির্দেশ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরণের সহিংসতা ঠেকাতে মাঠ প্রশাসনকে আরও জোরালো ভূমিকা রাখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির নির্দেশনা দেওয়া হয়।