আসন দেওয়ার মালিক আল্লাহ ও জনগণ’: কারচুপির চেষ্টা প্রতিহত করা হবে—প্রতিপক্ষকে কড়া জবাব মির্জা আব্বাসের

ডেস্ক রিপোর্ট
 ছবি:
ছবি:

ঢাকা-৮ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, “আসন দেওয়ার মালিক আল্লাহ ও জনগণ। জনগণের ভোটই ক্ষমতার একমাত্র উৎস। কোনো দল বা গোষ্ঠী কাউকে আসন দেওয়ার মালিক নয়; আল্লাহ এবং জনগণই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তকারী।”

আজ রবিবার (২৫ জানুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর মালিবাগ ও শাহজাহানপুর এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনি মৈত্রী সংঘ মাঠে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

প্রতিপক্ষের হুঁশিয়ারি ও কারচুপির আশঙ্কা একজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সম্প্রতি মন্তব্য করেছিলেন যে, ‘ঢাকা শহরে বিএনপিকে কোনো আসন দেওয়া হবে না’—এমন বক্তব্যের কড়া জবাব দেন মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন:

  • “আমার প্রশ্ন—আসন দেওয়ার মালিক কে? জনগণের ঊর্ধ্বে গিয়ে কথা বলা স্বেচ্ছাচারিতা ও অগণতান্ত্রিক আচরণ।”

  • “তারা এসব বলার শক্তি কোথায় পায়? এখন মনে হচ্ছে, কোনো একটি বিশেষ শক্তি নির্বাচনী কারচুপির মাধ্যমে কিছু করার চেষ্টা করছে, যা জনগণ ইনশাআল্লাহ প্রতিহত করবে।”

অতীতের স্মৃতিচারণ ও জয়ের আশা ভোটারদের সঙ্গে নিজের গভীর সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, “এলাকার জনগণ যেভাবে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়েছিলেন, আজও তারা আমার ও আমার দলের কার্যক্রম বিবেচনা করে আবারও আমাকে নির্বাচিত করবেন ইনশাআল্লাহ। আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। আমি কাজ করছি, বাকিটা আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়েছি।”

জামায়াত আমিরের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বেকার ভাতার পরিবর্তে কর্মসংস্থান তৈরির বিষয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সে বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা আব্বাস বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড ও কর্মসংস্থান নিয়ে জামায়াত আমিরের বক্তব্য নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। তারা বলছেন, বেকার ভাতা নয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবেন—বিষয়টি জনগণই মূল্যায়ন করবে।”

১৭ বছরের বঞ্চনা ও প্রতিশ্রুতি নিজের নির্বাচনী এলাকার বর্তমান দশা তুলে ধরে মির্জা আব্বাস ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “গত ১৭ বছরে আমার এলাকাকে শেষ করে দেওয়া হয়েছে। মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস এই এলাকা ধ্বংস করেছে। নির্বাচিত হলে এই তিনটি ব্যাধি থেকে এলাকাকে রক্ষা করাই হবে আমার সবচেয়ে বড় কাজ।”

এলাকার খবর

সম্পর্কিত