স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যারা মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ভুলে যেতে বা ভুলিয়ে দিতে চায়, তারা কখনোই বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থে বিশ্বাস করে না।
শুক্রবার রাজধানীতে ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষ হাজার বছর ধরে একসঙ্গে বসবাস করে আসছে। তাই এ দেশে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, দেশের অন্যতম বড় দুর্বলতা হলো এখনও একটি পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। তাঁর ভাষায়, গত ১৫ বছরে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। তবে সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে দেশ এখন নতুনভাবে সামনে এগিয়ে যেতে চায়।
মন্ত্রী অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ধর্মকে ব্যবহার করে সমাজে বিভেদ সৃষ্টি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, সামনে নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টির অপচেষ্টা কোনোভাবেই সফল হতে দেওয়া যাবে না।
তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের গুরুত্ব খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। একই সঙ্গে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, বৈচিত্র্য এবং সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
মির্জা ফখরুলের মতে, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব হলো সব নাগরিকের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।