নিজের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর কোনোটিই সত্য নয়। বরং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি বিএনপি সরকারের আমলের ঘটনা বলে দাবি করেছেন তিনি। ওই ঘটনায় তৎকালীন স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন আসিফ মাহমুদ।
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। সম্প্রতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দুদক তদন্ত শুরু করায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ২০২৬ সালের ১১ মে ১৩৫ জন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে পদায়ন ও পদোন্নতি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ করেছে দুদক। তবে তার দাবি, ওই সময় বিএনপি সরকার ক্ষমতায় ছিল এবং তৎকালীন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী দায়িত্বে ছিলেন। তাই ওই সিদ্ধান্তের দায় তার ওপর চাপানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, রাজনৈতিকভাবে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যেই বিএনপি এসব করছে। দুদকের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে তদন্তের তথ্য সাংবাদিকদের জানানোর দিনই দুদকের মুখপাত্র সাংবাদিকদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সংশোধনী বার্তা দেন বলেও দাবি করেন আসিফ মাহমুদ।
তার ভাষ্য, ওই বার্তায় দুদকের মুখপাত্র ‘প্রাথমিক সত্যতা’ শব্দটি ব্যবহার না করার অনুরোধ জানান এবং ভিডিওতে শব্দটি থাকলে তা সম্পাদনা করার অনুরোধ করা হয়। তবে ততক্ষণে বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচার হয়ে গেছে বলে দাবি করেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, পরে তিনি দুদককে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদলিপি দেওয়ার অনুরোধ করলেও কমিশন তা দেয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে দুদকের করা অপর দুটি অভিযোগও অস্বীকার করেন এনসিপির এই নেতা। তিনি এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চরিত্রহননের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।