প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তাঁর দ্বিতীয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফর।
সকাল ১০টার দিকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পৌঁছালে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিছিলের মাধ্যমে তাঁকে স্বাগত জানান। এ সময় ক্যাম্পাসে উপস্থিত সাধারণ শিক্ষার্থীরাও তাঁকে অভিবাদন জানান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আইসিটি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া সূচনা বক্তব্য দেন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোরশেদ হাসান খান। সমাপনী পর্বে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্টার্টআপ খাতের বর্তমান অবস্থা ও সম্ভাবনা নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। এছাড়া সফল উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময়, প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষার্থীদের মুক্ত আলোচনা এবং নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণের কর্মসূচি রয়েছে।
এ উপলক্ষে ‘জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম’-এরও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। নতুন এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা সরকারি সহায়তা, প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, বিনিয়োগের সুযোগ এবং বিভিন্ন সেবা এক জায়গা থেকেই গ্রহণ করতে পারবেন।
সরকারের লক্ষ্য তরুণদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব উদ্যোক্তা উদ্যোগে রূপ দেওয়া, প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল গঠন করা হয়েছে। উদ্বোধনী পর্ব শেষে দুপুর ১টা থেকে অনুষ্ঠানটি সকলের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১২ মে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ট্রান্সফরমিং হায়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্স’ শীর্ষক কর্মশালায় অংশ নিয়েছিলেন তারেক রহমান।