জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশকে পরনির্ভরশীল নয়, আত্মনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য এমন একটি বাংলাদেশ নির্মাণ করা, যা উন্নয়ন, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিজস্ব সক্ষমতার ওপর দাঁড়িয়ে এগিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। সরকার বিশ্বাস করে, একটি শক্তিশালী ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ হলেও কোনো অবস্থাতেই পরনির্ভরশীলতার পথে হাঁটা হবে না।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, জুলাই-পরবর্তী নতুন বাস্তবতায় বাংলাদেশকে টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সব ধরনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনা করা হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে অর্থনৈতিক অগ্রগতি, সুশাসন এবং বৈশ্বিক সহযোগিতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকবে। দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিদেশি অংশীদারদের সহযোগিতা গ্রহণ করা হলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাংলাদেশের নিজস্ব অগ্রাধিকারই প্রাধান্য পাবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আত্মনির্ভর ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। তাঁর মতে, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ভিত্তি হবে জনগণের সক্ষমতা, অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং জাতীয় স্বার্থনির্ভর নীতি।