আগামী বছর হজের খরচ আরও কমানো হবে: ধর্মমন্ত্রী

সহযাত্রী নিউজ ডেস্কঃ
| ফটো কার্ড
 ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের হজে সরকারি ব্যবস্থাপনায় অংশ নেওয়া ৪ হাজার ৩৪১ হাজির অব্যবহৃত ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা তাদের ব্যাংক হিসাবে ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। একই সঙ্গে ২০২৭ সালের হজে সরকারি প্যাকেজের খরচ আরও কমানোর কথা জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে ধর্মমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, হাজিদের সেবা করাই সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও তদারকির কারণে ২০২৬ সালের হজ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি জানান, প্রতিটি হজ প্যাকেজের খাতভিত্তিক ব্যয় হিসাব শেষে যে অর্থ অব্যবহৃত ছিল, তা কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে সরাসরি হাজিদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হয়েছে। মোট ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ৪ হাজার ৩৪১ জন হাজির হিসাবে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

২০২৬ সালের হজ প্যাকেজ-১-এর আওতাভুক্ত হাজিদের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজের জন্য জনপ্রতি ৩৮ হাজার ৬৯৭ টাকা এবং শর্ট প্যাকেজের জন্য ৪৬ হাজার ৮৮৮ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সিট আপগ্রেডেশনের ভিত্তিতে কোনো কোনো হাজিকে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৮০ হাজার ৫৭২ টাকা পর্যন্ত ফেরত দেওয়া হয়েছে।

প্যাকেজ-২-এর হাজিদের জনপ্রতি সর্বনিম্ন ২ হাজার ৫০৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার ৭১৩ টাকা পর্যন্ত এবং প্যাকেজ-৩-এর পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজের হাজিদের জনপ্রতি ৩ হাজার ৭১৮ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

২০২৭ সালের হজের খরচ কমানোর বিষয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, আগামী বছরের হজ সাধারণ মানুষের জন্য আরও সাশ্রয়ী করতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে হজের বিমানভাড়া ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৩ সালে এই বিমানভাড়া ছিল ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ টাকা বলেও জানান তিনি।

ধর্মমন্ত্রী জানান, ২০২৭ সালের জন্য দুটি সরকারি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে প্যাকেজ-১-এর খরচ ২০২৬ সালের তুলনায় ৭৫ হাজার ৩৩৪ টাকা কমিয়ে ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে সাশ্রয়ী প্যাকেজ-২-এর খরচ ৫৩ হাজার ২৩৩ টাকা কমিয়ে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, আগামী বছরও হজের ব্যয় কমানোর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। হাজিদের জন্য সেবার মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি খরচ আরও সাশ্রয়ী করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত