স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যমের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রিজভী বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলে বিরোধী মত প্রকাশের সুযোগ সংকুচিত হয়ে গেলেও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ছিল মতপ্রকাশের একটি জায়গা। তাঁর অভিযোগ, ওই সময়ে প্রেসক্লাব ফ্যাসিবাদের আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদ থেকে সরে আসেনি। ১৯৭৫ সালে বাকশাল প্রতিষ্ঠা, সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া এবং মানুষের কথা বলা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত করার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, গত ১৭ বছরে তারই নতুন রূপ দেখা গেছে বলে দাবি করেন তিনি।
বিএনপির এই নেতা বলেন, গত ১৭ বছরে দেশে টেলিভিশন ও সংবাদপত্রের কার্যক্রম থাকলেও মতপ্রকাশের সুযোগ মূলত একজন ব্যক্তি ও একটি রাজনৈতিক দলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। এর বাইরে যারা কথা বলার চেষ্টা করেছেন, তাঁদের কেউ গুমের শিকার হয়েছেন, আবার কেউ কারাগারে যেতে বাধ্য হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
গণমাধ্যম ও টেলিভিশনের টকশোগুলোও বিভিন্নভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে বলে দাবি করেন রিজভী। তাঁর ভাষ্য, যারা বিভিন্ন পর্যায়ে গণতন্ত্রের চর্চা ও মতপ্রকাশের সুযোগ ধরে রাখার চেষ্টা করেছেন, তারা ওই সময়ের পরিস্থিতি কতটা কঠিন ছিল তা জানেন।
রিজভী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সমাজে স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের মতপ্রকাশের অধিকার ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।