সংসদে পাস হলো ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬’, থাকছে ১৪ ধরনের সাজার বিধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
| ফটো কার্ড
 ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

জুয়া, অনলাইন জুয়া, বাজি (বেটিং), ম্যাচ ফিক্সিং ও স্পট ফিক্সিংসহ প্রযুক্তিনির্ভর জুয়ার বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। নতুন আইনে ২৪ ধরনের বিষয় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং বিভিন্ন অপরাধের জন্য ১৪ ধরনের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে তা পাস হয়।

বিলটি পাসের আগে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, এম. আব্দুল গফুর, জহিরুল ইসলাম, আমির হামজা, কামরুল হাসান ও আখতার হোসেন এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বিলটি অধিকতর পর্যালোচনার জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো এবং জনমত গ্রহণের প্রস্তাব দেন। তবে কণ্ঠভোটে সেই প্রস্তাব নাকচ হয়ে যায়।

বিলটি উপস্থাপন করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে জুয়ার ধরনও পরিবর্তিত হয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত জুয়ার পাশাপাশি স্মার্টফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে জুয়ার বিস্তার ঘটছে। এসব কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে আধুনিক ও যুগোপযোগী আইন প্রণয়ন করা জরুরি হয়ে পড়েছিল।

তিনি বলেন, ঔপনিবেশিক আমলের পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭ বর্তমান সময়ের প্রযুক্তিনির্ভর জুয়া নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নয়। তাই নতুন আইনে ডিজিটাল জুয়া প্ল্যাটফর্ম, অনলাইন ও দূরবর্তী জুয়া, বেটিং, ওয়েজারিং, ডিজিটাল সম্পদ ও ডিজিটাল ওয়ালেট, টোটালাইজেটর, পেশাদার বুকমেকার, ম্যাচ ফিক্সিং এবং স্পট ফিক্সিংসহ বিভিন্ন নতুন বিষয়ের আইনগত সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৩ জুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। পরে এটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার পর বিলটি চূড়ান্তভাবে সংসদে পাস হয়।

বিষয়:

এলাকার খবর

সম্পর্কিত