দেশের চলমান জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। তিনি জানান, মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি সমস্যার কারণে গ্যাস সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটেছিল। বর্তমানে সেই সমস্যা সমাধান করা হয়েছে।
বুধবার শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের জ্বালানি নীতিকে দীর্ঘদিন আমদানিনির্ভর করা হয়েছিল। বর্তমান সংকট মোকাবিলায় সরকার গ্যাস আমদানির পাশাপাশি দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি বলেন, শুধু গ্যাস আমদানি করলেই হবে না, এর জন্য প্রয়োজনীয় এলএনজি অবকাঠামোও গড়ে তুলতে হবে। এসব অবকাঠামো স্থাপনে কিছুটা সময় প্রয়োজন। তবে সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।
দেশের জ্বালানি তেলের মজুত নিয়েও সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানান জোনায়েদ সাকি। বর্তমানে প্রায় দেড় মাসের জ্বালানি তেল মজুত রাখার সক্ষমতা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ধাপে ধাপে এই সক্ষমতা তিন মাস এবং পরবর্তী সময়ে ছয় মাসে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিদ্যুৎ খাতের সংকট মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এর অংশ হিসেবে একনেক সভায় জামালপুরের মাদারগঞ্জে ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণসহ বিদ্যুৎ অবকাঠামো সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণের কয়েকটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।