চার ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক

সহযাত্রী নিউজ ডেস্কঃ
| ফটো কার্ড
 ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দেশে চারটি ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। পরবর্তী ধাপে এসব ব্যাংককে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়া হবে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর ব্যাংকগুলো কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।

আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ডিজিটাল ব্যাংকগুলোর অনুমোদনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত আসে।

প্রাথমিক অনুমোদনের জন্য সম্মতি পাওয়া চারটি প্রতিষ্ঠান হলো—ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক ও বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক।

ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটানের উদ্যোক্তা ভুটানের ডিকে ব্যাংক। বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা বিকাশের শেয়ারধারীরা। নোভা ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন ও স্কয়ার গ্রুপ। আর বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা রবির মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা লিমিটেড।

এর পাশাপাশি আগে থেকেই প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককেও লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আবেদন গ্রহণ করেছিল। ওই সময় মোট ১৩টি প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে। আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোক্তা বা মালিকানার সঙ্গে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান, মোবাইল অপারেটর এবং মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা ছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য আবেদন গ্রহণ করে। তবে বিভিন্ন কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এসব আবেদনের বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

সে সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের দায়িত্বে ছিলেন আহসান এইচ মনসুর। পরে সরকার পরিবর্তনের পর তাঁকে সরিয়ে মোস্তাকুর রহমানকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর নতুন করে ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়নি।

আগে জমা পড়া ১৩টি আবেদনের মধ্য থেকেই চারটি প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিক অনুমোদনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। এখন এলওআই দেওয়ার পর নির্ধারিত শর্ত ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে প্রতিষ্ঠানগুলো ডিজিটাল ব্যাংক হিসেবে কার্যক্রম শুরু করার সুযোগ পাবে।

বিষয়:

এলাকার খবর

সম্পর্কিত