সচিবালয়ে রাজনৈতিক বৈঠক কেন, প্রশ্ন জামায়াতের

সহযাত্রী নিউজ ডেস্কঃ
| ফটো কার্ড
 ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

সচিবালয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক আয়োজনের সমালোচনা করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, সচিবালয় একটি নির্বাহী জায়গা হওয়ায় সেখানে কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক আয়োজনের নজির নেই।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এস এম হামিদুর রহমান আযাদ।

তিনি বলেন, বিএনপি সচিবালয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্থায়ী কমিটির বৈঠক করছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। কিন্তু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী কে হচ্ছেন, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। এ নিয়ে দলটির মধ্যে প্রার্থী বাছাইয়ে সংকট রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বিএনপি যোগ্য প্রার্থী দিতে ব্যর্থ হলে তাঁদের জোটের প্রার্থী কর্নেল অলি আহমদ সেই জায়গা পূরণ করতে পারেন। তাঁর দাবি, অলি আহমদ একজন যোগ্য প্রার্থী এবং তিনি ইতোমধ্যে জাতির সামনে নিজের প্রার্থিতা তুলে ধরেছেন।

সচিবালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক আয়োজনের বিষয়ে তিনি বলেন, সচিবালয় সরকারের নির্বাহী কার্যক্রমের জায়গা। সেখানে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ ফোরামের বৈঠক আয়োজনের কোনো নজির তাঁরা অতীতে দেখেননি।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিএনপি গণতন্ত্রকে কীভাবে মূল্যায়ন করছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দল ও সরকারি নির্বাহী কার্যালয়ের কর্মকাণ্ডের মধ্যে পার্থক্য থাকা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, কয়েক মাস ধরে বিএনপির কার্যক্রমে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এতে দলটির অবস্থান সম্পর্কে জাতি ইতোমধ্যে ধারণা পেয়েছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদের মনোনয়নপত্রে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রস্তাবক এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আব্দুল্লাহ আল আমিন সমর্থক হিসেবে স্বাক্ষর করেছেন।

হামিদুর রহমান আযাদ দাবি করেন, সংসদ সদস্যরা যদি স্বাধীনভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারতেন, তাহলে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী অলি আহমদ জয়ী হতেন।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত