ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ১.২ শতাংশ ত্রুটি, প্রকল্প সফল: আমির খসরু

সহযাত্রী নিউজ ডেস্কঃ
| ফটো কার্ড
 ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রকল্পে মাত্র ১ দশমিক ২ শতাংশ ত্রুটি হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এ ত্রুটির হার অত্যন্ত কম বলেও দাবি করেছেন তিনি। তাঁর মতে, প্রকল্পটি সফলভাবেই বাস্তবায়িত হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আয়োজিত ‘বন্যা-পরবর্তী পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন সহায়তা’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, কোনো ধরনের রাজনৈতিক বিবেচনায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না। ফ্যামিলি কার্ডের মতো বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে দেশে একটি দক্ষ সহায়তা ও সেবা প্রদান ব্যবস্থা গড়ে উঠছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের ব্যবস্থা সরকারি অর্থের অপচয় ও দুর্নীতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি সহায়তা সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে কার্যকর ডেলিভারি সিস্টেম প্রয়োজন।

বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে ব্র্যাকসহ বিভিন্ন সংস্থার অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও এনজিওগুলোর সম্মিলিত অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার ভবিষ্যতেও এ ধরনের অংশীদারত্ব অব্যাহত রাখতে চায়।

সঠিকভাবে পুনর্বাসন নিশ্চিত না হলে মানুষের কাছে প্রকৃত সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব নয় উল্লেখ করে আমির খসরু বলেন, দুর্যোগ বা সংকট মোকাবিলায় সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করে দক্ষতার সঙ্গে ত্রাণ ও সহায়তা বিতরণ করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশে ত্রাণ ও সহায়তা বিতরণের ক্ষেত্রে দুর্নীতি, অপচয় এবং ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে অতীতে নানা ধরনের ক্ষতি হয়েছে। এ কারণে সরকারি কার্যক্রমে সরকার, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর মধ্যে অংশীদারত্ব বাড়ানো হচ্ছে।

সরকারের একার পক্ষে সব ধরনের সহায়তা কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা করা কঠিন বলেও মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। তাঁর মতে, ডেলিভারি ব্যবস্থায় বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোকে যুক্ত করা গেলে কাজ আরও দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন হয় এবং একই সঙ্গে অপচয় ও দুর্নীতির সুযোগও কমে।

বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত কোনো দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলেও দাবি করেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, গণমাধ্যমেও এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ তাঁর নজরে আসেনি।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি আমিরুল হক চৌধুরী এবং সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত