টিএফআই সেল তদন্তে নতুন তথ্য, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও সেখানে রাখা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর

নিজস্ব প্রতিবেদক
| ফটো কার্ড
 ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভারতে পাচারের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও টিএফআই সেলে রাখা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর

ভারতে পাচারের আগে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে রাখা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

শনিবার সকালে রাজধানীর উত্তরায় র‍্যাব-১ কার্যালয়ে অবস্থিত টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, টিএফআই সেলে নির্মম নির্যাতনের বাস্তব চিত্র বিচারপতিদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই পরিদর্শনের তথ্য মামলার বিচারিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আয়নাঘর বা গোপন বন্দিশালার আলামত নষ্টের অভিযোগে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং বিষয়টি তদন্তের আওতায় রয়েছে।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, টিএফআই সেল নামে কোনো বন্দিশালা নেই এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে র‍্যাবের সম্পৃক্ততাও নেই।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর তিন বিচারপতি, প্রসিকিউশন টিম এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীরা র‍্যাব-১ কার্যালয়ে পৌঁছে টিএফআই সেল পরিদর্শন করেন।

টিএফআই সেলে গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মোট ১৭ জন আসামি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১০ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তা বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা দায়িত্ব পালনকালে র‍্যাবে কর্মরত ছিলেন।

মামলার পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সাবেক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, এম খুরশীদ হোসেন, হারুন অর রশিদ এবং অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মাদ খায়রুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই চিফ প্রসিকিউটরের আবেদনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ টিএফআই সেল পরিদর্শনের অনুমতি দেয়।

বিষয়:

এলাকার খবর

সম্পর্কিত