‘ইউপি নির্বাচনে দলীয় পরিচয় নয়, যোগ্যতা দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন প্রার্থীরা’

সহযাত্রী নিউজ ডেস্কঃ
| ফটো কার্ড
 ছবি:
ছবি:

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক থাকবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তাঁর মতে, প্রতীকবিহীন নির্বাচনে প্রার্থীরা দলীয় পরিচয়ের পরিবর্তে নিজেদের জনপ্রিয়তা, সততা, যোগ্যতা ও জনগণের সঙ্গে সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পাবেন।

শনিবার (৩০ আগস্ট) ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে শুধু প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নয়, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সালথা ও নগরকান্দা এলাকায় দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও সংঘাতের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

কোনো পক্ষ যাতে সংঘাত সৃষ্টি করে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে না পারে, সে বিষয়ে নজর রাখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। কোনো ঘটনা বা বিরোধকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি গুজব ও উসকানিমূলক প্রচারণা থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে যেকোনো অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরামর্শও দেন তিনি।

সভায় নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন নগরকান্দা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুহম্মদ আল ফাহাদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খায়রুল হাসান, নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ এবং নগরকান্দা প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত আলী শরিফ।

এ ছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, সহসভাপতি আলিমুজ্জামান সেলু ও মাহবুব আলী মিয়াসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় নগরকান্দা উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষা, সন্ত্রাস ও কিশোর অপরাধ দমনসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ মোকাবিলায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় নাগরিকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত