নির্বাচন পরিচালনায় সরকারের সক্ষমতা নিয়ে শঙ্কিত জামায়াত

সহযাত্রী ডেস্ক:
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের। ছবি: সংগৃহীত
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের। ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির নায়েবে আমীর সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না, তাহলে এত বড় জাতীয় নির্বাচন কীভাবে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করবে—তা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন।

রোববার বিকেলে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জামায়াতের চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের। প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও হামিদুর রহমান আযাদ। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

তাহের বলেন, “আগে একদল বাসস্ট্যান্ড দখলে নিত, এখন আরেকটি গ্রুপ নিয়েছে। অথচ সরকার তাদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি।” তিনি দাবি করেন, সরকারের উচিত ছিল জুলাই সনদ বিষয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর নির্বাচনের রোডম্যাপ ও তারিখ ঘোষণা করা।

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এখনো সময় আছে। সরকার যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে যথাযথ উদ্যোগ নেয়, তবে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটানো সম্ভব এবং নির্বাচনও সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করা যাবে। তবে নির্বাচনের কার্যকারিতা নিয়ে সরকারের অবস্থানের সঙ্গে জামায়াত দ্বিমত পোষণ করেছে।

তিনি অভিযোগ করেন, লন্ডনে একটি দলের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে, যা নজিরবিহীন এবং এতে সরকারের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এতে একটি দলকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে আলোচনার প্রসঙ্গে তাহের জানান, নুরুল হকের (গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি) ওপর হামলার ষড়যন্ত্র গভীর পর্যায়ে পৌঁছেছে। এ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে জামায়াত। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের (এখন কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সহযোগী হিসেবে জাতীয় পার্টি কাজ করেছে, তাই একই ধরনের সিদ্ধান্ত জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধেও নেওয়া উচিত।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত