ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারিতেই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসও একমত হয়েছেন এবং দেশবাসী আশ্বস্ত থাকতে পারে।
আজ রোববার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মির্জা ফখরুল। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ ও অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।
মির্জা ফখরুল বলেন, “একটি শক্তি নির্বাচন বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে। তবে নির্বাচন পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। ঘোষিত তারিখেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে।”
বৈঠক শেষে বিএনপির নেতাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
এর আগে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠক করেন জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের অভিযোগ করেন, সরকারের লন্ডনে গিয়ে একটি দলের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা নজিরবিহীন ঘটনা এবং এতে সরকারের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এই অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকেরা বিএনপির মহাসচিবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এটি একেবারেই অমূলক দাবি। প্রধান উপদেষ্টার সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলার।”
এছাড়া গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকের ওপর হামলার প্রসঙ্গও বৈঠকে উত্থাপন করা হয়। মির্জা ফখরুল বলেন, “এটি অত্যন্ত গর্হিত কাজ এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে খুবই উদ্বেগজনক। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া জরুরি।”