অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞাসহ পাঁচ আইন কর্মকর্তা পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সোমবার রাষ্ট্রপতি বরাবর এসব পদত্যাগপত্র দেওয়া হয়।
পদত্যাগ করা অন্য চার আইন কর্মকর্তা হলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আকতার রুবি ও মামুন চৌধুরী এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোছা. রোহানী সিদ্দীকা ও প্রোজ্জল চাকমা।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট আবদুল জব্বার ভুঞাসহ তিনজন আইনজীবীকে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এরপর থেকে তিনি ওই পদে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
আবদুল জব্বার ভুঞা জানান, সোমবার বিকেলে আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি। ব্যক্তিগত কারণেই পদত্যাগ করেছেন বলেও জানান তিনি।
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ৩০ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের ৮৬ জন আইনজীবীকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৮০ জনকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে ডিএজি ও এএজি পদে ২৬৬ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ পাওয়া সব ডিএজি ও এএজির নিয়োগ আদেশ বাতিল করে নতুন করে এসব নিয়োগ দেওয়া হয়।
পদত্যাগ করা সুলতানা আকতার রুবি ও মামুন চৌধুরী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং মোছা. রোহানী সিদ্দীকা ও প্রোজ্জল চাকমা সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে গত ৩০ জুলাই নিয়োগ পেয়েছিলেন।
সুলতানা আকতার রুবি জানান, রাষ্ট্রপতি বরাবর লেখা পদত্যাগপত্র সোমবার আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। মামুন চৌধুরীও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন।
মোছা. রোহানী সিদ্দীকা জানান, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাষ্ট্রপতি বরাবর লেখা পদত্যাগপত্র অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে আইন পেশা পরিচালনা করবেন বলেও জানান। প্রোজ্জল চাকমাও একই কারণ দেখিয়ে সোমবার দুপুরে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
এর আগে নতুন করে ডিএজি ও এএজি নিয়োগের পর পদ না পাওয়া এবং নিয়োগপ্রত্যাশী বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের একাংশ অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন। গত ২ আগস্ট জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ব্যানারে তারা বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। এরপর ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিনই সেখানে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়।