অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়কে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার অঙ্গীকার

সহযাত্রী নিউজ ডেস্কঃ
| ফটো কার্ড
 ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের কোনো কর্মকর্তা অর্থপাচার বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

তিনি বলেন, হাইকোর্টের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হতে পারে—এমন ভয় দেখিয়ে বিচারপ্রার্থীদের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেল হলিডে ইন-এ ‘স্ট্রেংথেনিং দ্য প্রিন্সিপাল অ্যান্ড প্র্যাকটিস অব প্রসিকিউশন এথিকস ফর দ্য অ্যাটর্নি জেনারেলস অফিস অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, অতীতে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়কে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ ছিল। এর মধ্যে ‘নোট বাণিজ্যের’ অভিযোগও ছিল। তবে নতুন আইন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে এসব অভিযোগ থেকে কার্যালয় অনেকাংশে মুক্ত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

কর্মশালার উদ্দেশ্য তুলে ধরে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আইন কর্মকর্তাদের পেশাগত সততা, স্বাধীনতা, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের প্রতি অঙ্গীকার আরও শক্তিশালী করাই এ আয়োজনের লক্ষ্য। দুর্নীতি, ঘুষ, দায়িত্বে অবহেলা, নথি গোপন কিংবা বিচারপ্রক্রিয়ায় অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের বিরুদ্ধে সর্বাবস্থায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে।

তিনি বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে দুর্নীতি, ঘুষ, দায়িত্বে অবহেলা কিংবা বিচারপ্রক্রিয়ায় অনৈতিক হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ থাকবে না। কোনো ধরনের সিন্ডিকেটকেও প্রতিষ্ঠিত হতে দেওয়া হবে না। পাশাপাশি কার্যালয়ের নিরপেক্ষতা ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পেশাগত অবস্থান নিশ্চিত করার কথা জানান তিনি।

রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, সততা, নিষ্ঠা, স্বাধীনতা, মানবিক মর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই তাদের অঙ্গীকার।

তিনি আরও জানান, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে কর্মরত আইন কর্মকর্তাদের জন্য প্রথমবারের মতো নৈতিকতা বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। কর্মশালায় কার্যালয়ের ১৬০ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অংশ নেন।

বিষয়:

এলাকার খবর

সম্পর্কিত